মাংস কাটার খাটিয়া যেখানে রেখে টুকরো করা হয় গরু ছাগলের মাংস, সেই খাটিয়ায় রেখেই পনেরো টুকরো করা হয় রাকিবের মরদেহ।
পরে ব্যাগ ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে টুকরো মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে।
নিহতের বাড়ির আঙিনায় রাতেই পুঁতে ফেলা হয় হত্যার অস্ত্র সহ বিভিন্ন আলামত।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার সৈয়দপুর গ্রামের রাকিব রায়হান কাজ করতেন ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায়।
গত 25 জুলাই সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। তিন দিন ধরে এদিক সেদিক খুঁজে ব্যর্থ হয়ে থানায় জিডি করেন তার বড় ভাই।
জিডি করার পরই বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায় বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা ও তার চাচাতো ভাই জিতু।
গত 2 আগস্ট অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে রাকিবের পনেরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আর গত বুধবার সিলেটের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রাজু ও জিতুকে।
তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি চাপাতি, একটি লোহার রড, তিনটি ছুরি, একটি কাঠের মাংস কাটার খাটিয়া ও একটি রক্তাক্ত পাঞ্জাবি।
পুলিশ জানায়, ওই খাটিয়ায় রেখেই 16 টুকরো করা হয় রাকিবের মরদেহ।
পরে ব্যাগ ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে। মাটিচাপা দেওয়া হয় হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র।
পুলিশের ধারণা, টাকার লোভে হত্যা করা হয়েছে রাকিবকে। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পরই জানা যাবে হত্যার প্রকৃত কারণ।

0 coment rios: