সর্বশেষ

8/28/2026

দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য ঊনপঞ্চাশ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার।

দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য ঊনপঞ্চাশ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার।


দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য ঊনপঞ্চাশ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার, যার মাধ্যমে আধুনিকায়ন করা হবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মায়ের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটি। এতে সিংহভাগ অর্থ দিচ্ছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই টাকার নব্বই শতাংশ ব্যয় হবে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনায়। তবে এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের গুণগত মান আরো উন্নত করতে যাতে উত্তরবঙ্গের মানুষ উন্নত চিকিৎসা সেবা পায়। এমন মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন। দিনাজপুরে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাইন্টিফিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসময় কথা বলেন মন্ত্রী। এসময় তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়নে যা যা প্রয়োজন সরকার তা করবে। প্রায় পঞ্চাশ কোটি টাকার প্রাথমিক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ওপেন হার্ট সার্জারি চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ডাক্তার এজেডএম জাহিদ হোসেন।

যে কারণে গ্রে'ফ'তা'র হলেন বিদিশা এরশাদ।

যে কারণে গ্রে'ফ'তা'র হলেন বিদিশা এরশাদ।


 সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক গ্রেফতার হয়েছেন। 2008 সালের একটি প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের রায়ের পর তার বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে বিদিশাকে গ্রেফতার করা হয়। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দাউদ হোসেন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, 2014 সালের ফেব্রুয়ারিতে গুলশান থানায় করা একটি প্রতারণা মামলায় বিদিশার দু বছরের সাজা হয়। একইসঙ্গে তাকে 10 হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আদালতের রায়ের পর তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। মামলাটির সূত্রপাত। বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রিকে কেন্দ্র করে। ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন শিকদারের অভিযোগ, দু'হাজার এক সালে বিদিশা তাকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং আশি লাখ টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে চুক্তি অনুযায়ী বিদিশার মনোনীত ব্যক্তি এবং বন্ধু আব্দুর রাজ্জাকের নামে পচাত্তর লাখ টাকার পে অর্ডার দেন মোশাররফ হোসেন। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর বাকি টাকা নিয়ে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রি করে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী। পরে টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়। 2010 সালে মোশাররফ হোসেনকে বাহাত্তর লাখ টাকার একটি চেক দেয়া হয়। তবে ব্যাংকে জমা দেয়ার পর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। মামলার অভিযোগে আরো বলা হয়, টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে না দিয়ে বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। এমনকি বাদীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগও আনা হয় তার বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের 20 মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম বিদিশা সিদ্দিককে দু বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেন। সঙ্গে দেয়া হয় দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড। সেই রায়ের পর জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার রাতে গুলশান থেকে বিদিশাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখন তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

নেপাল-ভুটান-ভারতের ট্রানজিট হাব হচ্ছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর।

নেপাল-ভুটান-ভারতের ট্রানজিট হাব হচ্ছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর।


 দীর্ঘদিন ধরে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা সৈয়দপুর বিমানবন্দর টিকে এবার দেশের পঞ্চম পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করার মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিমানবন্দরটির অবকাঠামো পুরোপুরি পাল্টে ফেলা হচ্ছে, যা উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক জীবনযাত্রায় এক অভাবনীয় বিপ্লব নিয়ে আসবে। এতদিন এই অঞ্চলের মানুষকে যেকোনো আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাতায়াত বা পণ্য পরিবহনের জন্য শুধুমাত্র ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওপর নির্ভর করতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। কিন্তু নতুন এই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সৈয়দপুর থেকেই সরাসরি বৈশ্বিক রুটের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সম্পূর্ণ নতুন ও সম্ভাবনাময় দুয়ার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য এর রানওয়ে সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণের এক বিশাল ও জটিল কর্মযজ্ঞ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার প্রধান শর্ত হিসেবে বিমানবন্দরটির প্রায় ছয় হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে সম্প্রসারিত করে প্রায় দশ হাজার থেকে বারো হাজার ফুটে উন্নীত করার কাজ শুরু হচ্ছে এই বিশাল রানওয়ের ফলে। এখানে অনায়াসেই সেভেন বা ড্রিমলাইনারের মতো সুপরিসর বা হোয়াইট বোর্ডের বড় উড়োজাহাজগুলো পূর্ণ যাত্রী ও ভারী কার্গো নিয়ে খুব সহজেই এবং নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবে। মূল রানওয়ের পাশাপাশি বিশাল এলাকা জুড়ে নতুন অ্যাপ্রোন, সুপ্রশস্ত ট্যাক্সিওয়ে, অত্যাধুনিক রাডার স্টেশন, ভিআইপি লাউঞ্জ এবং অত্যাধুনিক কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় লাগেজ, কনভেয়ার বেল্ট এবং দ্রুতগতির ইমিগ্রেশন সুবিধাসহ নতুন টার্মিনাল ভবনটিকে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে এটি বিদেশি পর্যটক ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীদের কাছে দেশের এক নতুন মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে। এই বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক রূপ পেলে সবচেয়ে বড় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে তা হলো উপ আঞ্চলিক বাণিজ্যের অভাবনীয় সম্প্রসারণ। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর অত্যন্ত কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা অবস্থিত, যেখান থেকে নেপাল, ভুটান এবং ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর দূরত্ব আকাশপথে মাত্র ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ মিনিটের পথ। এই অনন্য ও অতুলনীয় সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সৈয়দপুর কে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে উপ আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং সরাসরি বিমান যোগাযোগের প্রধান ট্রানজিট হাব হিসেবে গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এমনকি নেপালের মত প্রতিবেশী দেশগুলোর নিজেদের আঞ্চলিক কানেকটিভিটি ও পর্যটন বাড়াতে এই বিমানবন্দরটি দ্রুত আন্তর্জাতিকীকরণের উপর প্রতিনিয়ত ব্যাপক জোর দিয়ে আসছে। এর ফলে আগামী দিনে এই অঞ্চলের চার দেশীয় ব্যবসা বাণিজ্যের এক বিশাল ও শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে সৈয়দপুর, যা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন মানচিত্রকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দেবে। উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র পুরোপুরি বদলে দেওয়া এবং উপ আঞ্চলিক যোগাযোগের প্রধান সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা সৈয়দপুর বিমানবন্দরের এই আন্তর্জাতিকীকরণের বিশাল উদ্যোগটি মূলত 2018 সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করার এক মেগা মাস্টারপ্ল্যানের অংশ। যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের এই সমন্বিত অগ্রগতির লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রস্তাবিত নতুন জাতীয় বাজেটে মেগা এই পরিকল্পনাটির সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

8/27/2026

আগামী ষোলই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিনাল।

আগামী ষোলই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিনাল।


 দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন হাব হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ষোলই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিনাল। মেগা এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও নিখুঁতভাবে শেষ করতে দায়িত্ব নিয়েই কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নতুন বিমানমন্ত্রী। বিমান বন্দরের চেনা ভোগান্তি দূর করতে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক নিয়মে এই টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে জাপানের একটি দক্ষ কনসোর্টিয়ামকে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই মেগা অপারেশনাল চুক্তি সই করার চূড়ান্ত ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বিশাল এই বিনিয়োগ এবং জাপানি ব্যবস্থাপনার ছোঁয়া কি সত্যিই? শাহজালাল বিমানবন্দরকে এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে পারবে? দুই লাখ ত্রিশ হাজার বর্গমিটারের এই টার্মিনালটি বর্তমানে এক ও দুই নম্বর টার্মিনালের চেয়েও আড়াইগুণ বড়। বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর বছরে মাত্র আশি লাখ যাত্রী সামলাতে পারে। তবে এই টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে যাত্রী ধারণক্ষমতা এক ধাক্কায় আরও এক কোটি বিশ লাখ বেড়ে যাবে। অর্থাৎ বছরে মোট দুই কোটি যাত্রী এখান থেকে বিশ্বমানের সেবা পাবেন। যাত্রীদের দ্রুত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে টার্মিনাল টিতে থাকছে 15 টি চেকইন কাউন্টার। যার মধ্যে পনেরোটি সম্পূর্ণ অটোমেটেড বা সেলফ সার্ভিস। ইমিগ্রেশনের দীর্ঘ লাইন এড়াতে বসানো হয়েছে মোট একশ আটাশটি মিশন কাউন্টার। পাশাপাশি মালপত্র খালাসের জন্য আছে ষোলটি অত্যাধুনিক কনভেয়ার বেল্ট এবং একসাথে এক হাজার 200 টি গাড়ি পার্কিংয়ের বিশাল বহুতল সুবিধা।

ওমানে আসছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ বৃহত্তম রো-রো জাহাজ।

ওমানে আসছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ বৃহত্তম রো-রো জাহাজ।


 ওমানের দুর্গম বন্দরে নোঙর করতে যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রোল অন রোল অব জাহাজ বি আইডি। ওমানের স্বয়ংক্রিয় যান ও লজিস্টিক খাতের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে চলেছে। এই প্রথমবারের মতো বি আইডির কোনো বিশালাকার জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রমাণ দেয়। বিশাল এই জাহাজটির দৈর্ঘ্য প্রায় 14 দশমিক নয় মিটার এবং এতে একসঙ্গে 20 টি গাড়ি বহন করার সক্ষমতা রয়েছে। জানা গেছে, মোট কার্গোর মধ্যে এক হাজার 200 টিরও বেশি গাড়ি দুর্গম বন্দরে খালাস করা হবে। এর মধ্যে 20 টির বেশি গাড়ি সরাসরি ওমানের স্থানীয় বাজারের জন্য রাখা হবে এবং বাকি এক হাজারেরও বেশি গাড়ি গালফ কো অপারেশন কাউন্সিলের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দেশের বাজারে পাঠানো হবে। সাউথ এশিয়ান গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কার্যক্রম মূলত অটোমোটিভ শিপমেন্ট বা গাড়ির বিশাল চালান পরিচালনার ক্ষেত্রে দুর্গম বন্দরের দ্রুত বর্ধনশীল সক্ষমতাকে তুলে ধরছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই যুগান্তকারী পদক্ষেপটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে ওমান এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজার গুলিকে সরাসরি সংযুক্ত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জেদ্দা-চট্টগ্রাম ফ্লাইটে এক যাত্রীর মৃত্যু, মাসকাটে জরুরি অবতরণ।

জেদ্দা-চট্টগ্রাম ফ্লাইটে এক যাত্রীর মৃত্যু, মাসকাটে জরুরি অবতরণ।


 বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ওয়ান সিক্স জেদ্দা বিমান বন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। 

পরে আকাশে থাকা অবস্থায় যাত্রী সানোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে ফ্লাইটটি মাসকাটে ডাইভার্ট করে জরুরি অবতরণ করা হয়। 

সেখানে বিমান বন্দরের চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

একমাস আগে সানোয়ারা বেগম প্রবাসী সন্তানের কাছে ওমরা করতে গিয়েছিলেন। 

সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শে বাংলাদেশে নিয়ে আসছিলেন স্বজনরা।

 পরে ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল এগারোটায় নামার কথা ছিল। 

যাত্রী অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করায় ফ্লাইটটির নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পর চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায় বলে জানান যাত্রীরা।

 সানোয়ারা বেগম চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহ দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি।


 


ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামক ওয়াংচুক কে আজ ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে।

 বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। 

এ সময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। 

জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের

প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন।

প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন।


 


সরকারের কার্যক্রম নজরদারি, বিকল্প নীতি প্রস্তাব তৈরি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রস্তুতের লক্ষ্যে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

দলটির আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানকে প্রধান মন্ত্রী ধরে গঠিত। এই কাঠামোয় শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

 সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ছায়া মন্ত্রিসভার বিষয়টি জানান ডাক্তার শফিকুর রহমান। 

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে এবং সদস্যদের প্রশিক্ষণ চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা বারো আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মুজিবুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার নাজিব উর রহমান।

 মোমেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ শিশির মনির।

 শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ইলিয়াস মোল্লা। এছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। 

জামাত বলছে, সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা, দুর্বলতা চিহ্নিত করে বিকল্প নীতি প্রস্তাব দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করাই ছায়া মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য। 

প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা টিম কাজ করবে। এতে দলের নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রশিবির নেতাদেরও যুক্ত করা হয়েছে। 

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, গঠনমূলক গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা রয়েছে এমন দেশগুলোতে বিরোধীদল সরকারের মন্ত্রিসভার পাশাপাশি একটি সমান্তরাল বা ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করে। 

গরু কাটার খাইট্টায় ১৫ টুকরো করা হয় কাস্টমস কর্মীকে।

গরু কাটার খাইট্টায় ১৫ টুকরো করা হয় কাস্টমস কর্মীকে।


মাংস কাটার খাটিয়া যেখানে রেখে টুকরো করা হয় গরু ছাগলের মাংস, সেই খাটিয়ায় রেখেই পনেরো টুকরো করা হয় রাকিবের মরদেহ। 

পরে ব্যাগ ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে টুকরো মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে।

 নিহতের বাড়ির আঙিনায় রাতেই পুঁতে ফেলা হয় হত্যার অস্ত্র সহ বিভিন্ন আলামত।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার সৈয়দপুর গ্রামের রাকিব রায়হান কাজ করতেন ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায়।

 গত 25 জুলাই সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। তিন দিন ধরে এদিক সেদিক খুঁজে ব্যর্থ হয়ে থানায় জিডি করেন তার বড় ভাই। 

জিডি করার পরই বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায় বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু মির্জা ও তার চাচাতো ভাই জিতু।

 গত 2 আগস্ট অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে রাকিবের পনেরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

আর গত বুধবার সিলেটের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রাজু ও জিতুকে। 

তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি চাপাতি, একটি লোহার রড, তিনটি ছুরি, একটি কাঠের মাংস কাটার খাটিয়া ও একটি রক্তাক্ত পাঞ্জাবি।

 পুলিশ জানায়, ওই খাটিয়ায় রেখেই 16 টুকরো করা হয় রাকিবের মরদেহ। 

পরে ব্যাগ ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে। মাটিচাপা দেওয়া হয় হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র।

 পুলিশের ধারণা, টাকার লোভে হত্যা করা হয়েছে রাকিবকে। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পরই জানা যাবে হত্যার প্রকৃত কারণ।

ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে তিব্বত-নেপাল সীমান্তে দুর্যোগ পরবর্তী ভয়াবহতা।

ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে তিব্বত-নেপাল সীমান্তে দুর্যোগ পরবর্তী ভয়াবহতা।


 স্পষ্ট হচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের পরিধি। 

ভয়াবহতা এতোটাই প্রকট ছিল যে তা ধরে পড়ে স্যাটেলাইটেও।

 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৬৫ জনের মরদেহ। নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। 

এর মধ্যে ৮শ' জনই বেশি-বিদেশি পর্যটক। উদ্ধারে কাজ করছে দুই হাজারের বেশি সেনাসদস্য। 

তবে, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ও লাগাতার বৃষ্টি থাকায় ব্যাহত অভিযান। তবে, নদীতে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপের কারণে আবারও ঢল সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল গতকাল দেশটির পার্লামেন্টে বলেন, ভূমিকম্পটি হয় স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে। এর ৩ মিনিটের মাথায় অর্থাৎ ৮টা ৪০ মিনিটে আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘তবে এটা আমাদের যাচাই করে দেখতে হবে।

২০১৫ সালের প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর নেপালের এবারের বন্যা ও ভূমিধসকে সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হচ্ছে। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 উজান থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

 উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রংপুরে চার খুন: পুলিশের দেওয়া তথ্য নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা কতটা অমূলক

রংপুরে চার খুন: পুলিশের দেওয়া তথ্য নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা কতটা অমূলক


 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী ও মেয়েকে ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

 ময়নাতদন্তের সময় সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষার পর এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সাংবাদিকদের তিনি জানান, গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ পরীক্ষার সময় যৌন নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পাঠানো নমুনা পরীক্ষাতেও ধর্ষণের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।

চার সদস্যের মরদেহের ময়নাতদন্ত নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক ডোমের বক্তব্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দুই নারী মরদেহে শুক্রাণু পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ওই দাবি নাকচ করেছেন।

ডোম এমন দাবি কেন করেছেন, জানতে চাইলে চিকিৎসক বলেন, সোয়াব সংগ্রহের সময় তার মনে হয়ে থাকতে পারে যে পরীক্ষায় কোনো ফল পাওয়া যেতে পারে। সম্ভবত সে কারণেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফলে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, ময়নাতদন্তের সময় নেওয়া সোয়াব মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। পরীক্ষার প্রতিবেদনে এ ধরনের কোনো আলামতের উল্লেখ নেই। ময়নাতদন্ত ও পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ধর্ষণের বিষয়টি বাদ দেওয়া যায়।

চারজনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চারটি মরদেহেই গলায় দাগ পাওয়া গেছে। এ থেকে তাদের শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন চিকিৎসকেরা। কারও শরীরে কাটা বা ছেঁড়ার ক্ষত পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজনের মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল, যেগুলো ফোলা ধরনের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চারজনের মুখে পোড়া দাগ থাকার যে দাবি ছড়িয়েছে, সেটিও সঠিক নয় বলে জানান তিনি। তার ব্যাখ্যা, মৃত্যুর পর সময় যত বাড়ে, ততই ত্বকে পরিবর্তন আসে এবং তা কালচে হয়ে যেতে পারে। ফলে মুখ ও শরীর কালো দেখালেও এর সঙ্গে কোনো রাসায়নিক ব্যবহারের সম্পর্ক নেই।

মরদেহের অবস্থা সম্পর্কে ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, মরদেহগুলো যখন ময়নাতদন্তের জন্য দেওয়া হয়, তখন সেগুলো ফুলে গিয়েছিল এবং পোকায় ধরেছিল। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় শরীরের স্বাভাবিক চেহারাতেও পরিবর্তন এসেছিল।

গত শনিবার ওই বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬০), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫০), স্নাতকোত্তর পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে প্রায় তিন বছর ধরে পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করছিলেন তিনি।

ঘটনার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন ডিবির পরিদর্শক জিনাত আলী।

৫,১০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, আধা ঘণ্টায় নদীর পানি ৩০ ফুট বেড়েই কি নেপালে এ দুর্যোগ ।

৫,১০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, আধা ঘণ্টায় নদীর পানি ৩০ ফুট বেড়েই কি নেপালে এ দুর্যোগ ।

 


হিমালয় পর্বতমালায় ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চল। 

গত বুধবার হিমালয়ের পার্বত্য নদী থেকে আসা প্রলয়ংকারী হড়কা বান এবং কাদা ও পাথরের ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু গ্রাম ও পাহাড়ি নগরী।

 বৃহস্পতিবার রয়টার্স ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে নিহতের সংখ্যা আরও বহুগুণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। 

দুর্যোগের পর থেকে নেপাল ও চীনের তিব্বত মিলিয়ে অন্তত দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮০০ জনেরও বেশি বিদেশি পর্যটক ও পুণ্যার্থী রয়েছেন। 

প্রশ্ন উঠেছে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যাকবলিত এলাকায় এতো পর্যটক কেন ছিলেন? বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বন্যাকবলিত এলাকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র দুটি উচ্চভূমির হ্রদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

এর একটি হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে মানস সরোবর, অন্যটি নেপালের রাসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতি বছর কয়েক হাজার পর্যটক নেপাল হয়ে মানস সরোবরে যান।

 ভয়াবহ এই দুর্যোগের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে নেমেছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্যে এটিকে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প মনে করা হলেও মূলত হিমবাহের বিশাল অংশ ভেঙে নিচে পড়ে যে প্রচণ্ড শক্তির সৃষ্টি হয়েছিল, তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে কম্পনটি অনুভূত হয়।

 এই বরফ ও পাথরধসের কারণেই পাহাড়ের ক্ষিপ্র স্রোতের লেন্দে নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে আসা ধ্বংসাবশেষ থেকে এমন প্রলয়ংকারী বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিব্বতের উজানে কৃত্রিমভাবে একটি হ্রদ আটকে থাকার খবর পাওয়া গেছে, যা চীনের কর্তৃপক্ষ চিহ্নিত করেছে। এই হ্রদটি ভেঙে গেলে উদ্ধারকাজ আরও জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। 

বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত দুর্গম পার্বত্য এলাকায় সামরিক বাহিনী ও পুলিশের পাঁচ হাজারেরও বেশি সদস্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন। আটকা পড়া হাজার হাজার মানুষের কাছে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাবু, শুকনো খাবার ও জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় এ ত্রাণ তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

5/24/2026

পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ  বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ৬।

পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ৬।


 পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে  ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পাশাপাশি রেকর্ড পরিমাণ গাঁজা, ধোলাই মদ ও  নেশা জাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করেছে। 

জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ৬ কেজি গাঁজা, ২২ লিটার চোলাই মদ ও ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।  সেই সাথে মাদকদ্রব্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপও আটক করা হয়। 

পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ  ওয়াদুদ  আলীর নির্দেশ ও নেতৃত্বে  গত ২১ মে  থানার অফিসারগণ এই অভিযানে নামেন। গত ৫/ ৭ বছরের মধ্যে এই  অভিযানটি শ্রেষ্ঠ অভিযান হিসেবে সচেতন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

পার্বতীপুরের এলাকাবাসীরা এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। 

এরকম অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য পার্বতীপুরে এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছেন এবং এ ধরনের অভিযান যেন সবসময় পরিচালনা করা হয়।