8/27/2026

আগামী ষোলই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিনাল।


 দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন হাব হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ষোলই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক টার্মিনাল। মেগা এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও নিখুঁতভাবে শেষ করতে দায়িত্ব নিয়েই কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নতুন বিমানমন্ত্রী। বিমান বন্দরের চেনা ভোগান্তি দূর করতে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক নিয়মে এই টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে জাপানের একটি দক্ষ কনসোর্টিয়ামকে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই মেগা অপারেশনাল চুক্তি সই করার চূড়ান্ত ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বিশাল এই বিনিয়োগ এবং জাপানি ব্যবস্থাপনার ছোঁয়া কি সত্যিই? শাহজালাল বিমানবন্দরকে এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে পারবে? দুই লাখ ত্রিশ হাজার বর্গমিটারের এই টার্মিনালটি বর্তমানে এক ও দুই নম্বর টার্মিনালের চেয়েও আড়াইগুণ বড়। বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর বছরে মাত্র আশি লাখ যাত্রী সামলাতে পারে। তবে এই টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে যাত্রী ধারণক্ষমতা এক ধাক্কায় আরও এক কোটি বিশ লাখ বেড়ে যাবে। অর্থাৎ বছরে মোট দুই কোটি যাত্রী এখান থেকে বিশ্বমানের সেবা পাবেন। যাত্রীদের দ্রুত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে টার্মিনাল টিতে থাকছে 15 টি চেকইন কাউন্টার। যার মধ্যে পনেরোটি সম্পূর্ণ অটোমেটেড বা সেলফ সার্ভিস। ইমিগ্রেশনের দীর্ঘ লাইন এড়াতে বসানো হয়েছে মোট একশ আটাশটি মিশন কাউন্টার। পাশাপাশি মালপত্র খালাসের জন্য আছে ষোলটি অত্যাধুনিক কনভেয়ার বেল্ট এবং একসাথে এক হাজার 200 টি গাড়ি পার্কিংয়ের বিশাল বহুতল সুবিধা।


শেয়ার করুন

Author:

দেশ ২৪ নিউজ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা আইনীভাবে বাংলার খবর শেয়ার করছি। আমরা বর্তমানের খবরের সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।

0 coment rios: