স্পষ্ট হচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের পরিধি।
ভয়াবহতা এতোটাই প্রকট ছিল যে তা ধরে পড়ে স্যাটেলাইটেও।
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৬৫ জনের মরদেহ। নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার।
এর মধ্যে ৮শ' জনই বেশি-বিদেশি পর্যটক। উদ্ধারে কাজ করছে দুই হাজারের বেশি সেনাসদস্য।
তবে, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ও লাগাতার বৃষ্টি থাকায় ব্যাহত অভিযান। তবে, নদীতে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপের কারণে আবারও ঢল সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল গতকাল দেশটির পার্লামেন্টে বলেন, ভূমিকম্পটি হয় স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে। এর ৩ মিনিটের মাথায় অর্থাৎ ৮টা ৪০ মিনিটে আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘তবে এটা আমাদের যাচাই করে দেখতে হবে।
২০১৫ সালের প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর নেপালের এবারের বন্যা ও ভূমিধসকে সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হচ্ছে। নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

0 coment rios: